চাখৌই

জিভে জল জীবনতরী

চাখৌই আর ত্রিপুরাকে আলাদা করা না। এখানকার আদিবাসী সংস্কৃতির সাথে উতপ্রোত ভাবে জড়িত এই খাবার। বেশ সুস্বাদু এবং পুষ্টিগুণে ভরা। দেখে নিন বানাবেন কিভাবে।

ভেজ চাখৌই:

উপকরণ:

কচি চাল কুমড়ো ২৫০ গ্রাম, ছোলা ভেজানো ২০-২৫ গ্রাম, মসুর ডাল ২ চা চামচ, আদা বাটা এক চা চামচ, সোডা ১ চা চামচের এক চতুর্থাংশ, কাঁঠালের বীজ ৫-৭টা খোসা ছাড়ানো, চালের গুঁড়ো দুই থেকে আড়াই চামচ, লঙ্কা ও নুন স্বাদ অনুযায়ী, বাঁশ কুড়ুল ২৫০ গ্রাম।

প্রণালী:

চাল কুমড়োগুলো ভালো করে ধুয়ে খোসাসহ ডোম ডোম করে কাটতে হবে। ছোলা, ডাল, কড়ুল, খোসা ছড়ানো কাঁঠালের বীজ নিন একটা পাত্রে।

প্রথমে পরিমাণে একটু বড় পাত্রে দুই কাপ জল নিয়ে তাতে লঙ্কা আন্দাজ মতো, ছোলার ডাল, কাঁঠালের বীজ, আদা বাটা, লবণ, সোডা দিয়ে অল্প আঁচে সেদ্ধ হতে দিন। ছোলা ও কাঁঠালের বীজ সেদ্ধ হয়ে এলে চাল কুমড়ো ঢেলে দিন। অল্প পরিমাণ জলে (গরম নয়) চালের গুড়ো গুলে রাখুন। চাল কুমড়োর টুকরেগুলো সেদ্ধ হয়ে এলে তাতে ঢেলে দিন। আলতো করে নাড়তে হবে। ভালো করে মিক্স হয়ে এলে নামাতে পারেন। পরিবেশন করুন গরম গরম।

নন ভেজ চাখৌই

উপকরণ: পর্ক ৫০০ গ্রাম, বাঁশ কড়ুল ২৫০ গ্রাম, কলা গাছের ভেতরের অংশ ২৫০ গ্রাম, সোডা চা চামচের চার ভাগের এক ভাগ, কাঁচা লঙ্কা ঝাল অনুযায়ী, লেবু পাতা বা আদা পাতা ২-৩টা, চালের গুঁড়ো ২-৩ চামচ, আদা বাটা দেড় চা চামচ।

একটি পাত্রে আড়াই কাপ ঠান্ডা জলে মাংস, বাঁশ কড়ুল, সোডা, লঙ্কা, নুন (পরিমাণ মতো) নিন। অল্প আঁচে সেদ্ধ হতে বসিয়ে দিন। মাংস নরম হলে কুচি করে কীটা ভেতরের অংশটা দিয়ে দিন। এরপর আদা বাটা ও চালের গুঁড়ো অল্প জলে মিশিয়ে একটু একটু করে পাত্রে ঢেলে দিন। এটা হালকা নরম হলে চালের গুঁড়ো অল্প জলে মিশিয়ে পাত্‌রে ঢেলে দিন। ক্রমাগত নাড়তে থাকুন। এরপর লেবু পাতা বা আদা পাতা দিয়ে নামিয়ে নেবেন। হালকা ঠান্ডে হলে পরিবেশন করুন। সঙ্গে প্লেন ভাঙগৈই হলে মন্দ কি!

By-তমা দেববর্মা

6 thoughts on “চাখৌই

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *